রঞ্জিত কাকু’র এখন বয়স হয়েছে। ডাক্তার বলেছেন রোজ সকালে মর্নিং ওয়াক করতে এবং ১ গ্লাস করে গরুর দুধ খেতে। এতে শরীরে শক্তি আসবে। তাই রঞ্জিত কাকু এখন রোজ তার প্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে নিয়ে মর্নিং ওয়াকে বেরিয়ে যান। আর হেটে হেটে যখন হাঁপিয়ে ওঠে, তখন রোজ একটা গাছের তলায় গিয়ে দুজনে বসে বিশ্রাম করে নেয়। ঠিক সেই সময় কোয়েল বেবি, এক এক করে নিজের কাপড় খুলে ফেলে আর নিজের মোটা মোটা দুই মাই চেপে, দুধ বের করে, রঞ্জিত কাকুকে পান করিয়ে দেয়। আজকাল খাঁটি গরুর দুধ আর কোথায় পাওয়া যায়? সেই দিন আর নেই। তাই এখন কোয়েল নিজের বাবাকে, নিজের বুকের খাঁটি ঘন দুধ পান করায় রোজ সকালে। বলতে নেই, এখন রঞ্জিত কাকুর স্বাস্থ্য অনেক ভালো হয়েছে। ছবিটা দেখুন না... চেহারাটা কত ফ্রেশ লাগছে কাকুর। আর ওনার পাশে ওনার মোবাইল মিল্ক ফ্যাক্টরি, ক্যামন মুখে লাজুক হাসি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে লক্ষী মেয়েটি। সত্যি, বাবার কত খেয়াল রাখে।